অপহৃত জিতু মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার সুদিয়াখলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার দাউদনগর বাজারের হাজী কমপ্লেক্স এর স্বত্ত¡াধিকারী। অপর ২ অপহৃতরা হলেন- জিতু মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান সৌরভ (১৮) ও তার প্রাইভেট কারের চালক শায়েস্তাগঞ্জের চর নুর আহাম্মদ গ্রামের বাবুল মিয়া (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- অপহৃত জিতু তার ছেলে সৌরভকেকে নিয়ে দুপুরের দিকে হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে প্রাইভেট কারযোগে হবিগঞ্জ শহরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ওই সড়কের কলিমনগর-জগতপুর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে ৭ থেকে ৮ জনের একদল লোক র্যাব পরিচয় দিয়ে প্রাইভেট কারটির গতিরোধ করে। এ সময় তারা প্রাইভেট কারের যাত্রী জিতু মিয়া, তার ছেলে সৌরভ ও চালক বাবুলকে অন্য একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করে।
এদিকে, অপহরণের ৪ ঘন্টা পর শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মাধবপুর উপজেলা সদর থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রাত ১১টা পর্যন্ত থানায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল।
থানায় সাংবাদিকদের কাছে সৌরভ জানায়, অপহরণকারীরা মাইক্রোবাসে তুলেই তাদের চোখ বেঁধে ফেলে। পরে তাদের কাছ থেকে নগদ ১৫ লাখ ৩০ হাজার ও পূবালী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা লুটে নিয়ে বি-বাড়িয়া জেলার চান্দুরা নামক স্থানে ফেলে চলে যায়। এরপর তারা মাধবপুরে আসে। শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মাধবপুর থেকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানান- ঘটনাটি সন্দেহজনক। ব্যবসায়ী জিতুসহ অন্যরা আসলেই অপহৃত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।