চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ॥ নবীগঞ্জে সংসদ নির্বাচনের রেশ না কাটতেই উপজেলা নিয়ে তোড়জোড়
তারিখ: ১১-জানুয়ারী-২০১৯
স্টাফ রিপোর্টার ॥

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ না কাটতেই শুরু হয়ে গেছে নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তোড়জোড়। দলীয় প্রতীকে আগামী মার্চেই হচ্ছে নির্বাচন; ইসি’র দেয়া এমন আভাসে উপজেলার সর্বত্রই শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী আলোচনা। মাঠ পর্যায়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকও হয়ে উঠেছে সরগরম। জানা যায়, কোন দলের কারা হবেন প্রার্থী, সেই হিসাব-নিকাশ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বইছে নানা আলোচনার ঝড়। নড়ে-চড়ে বসতে শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতারা প্রার্থীতা পেতে দলীয় হাইকমান্ডে শুরু করেছেন দৌড়ঝাঁপ। তবে বি.এন.পিসহ অন্যান্য দলের মধ্যে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে তেমন কোন তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না। বি.এন.পি’র দলীয় একটি সূত্র জানায়, নির্বাচনে বি.এন.পি অংশ নেবে কি-না তা এখনো চুড়ান্ত নয়। তবে শীঘ্রই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। এবার আওয়ামীলীগ থেকে যাদের নাম সর্বত্রই শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুল, সাবেক এমপি প্রয়াত অ্যাডভোকেট আব্দুল মোছাব্বির পুত্র হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ ও নবীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ সভাপতি (উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) আলহাজ্ব ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম। এ ছাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ডাঃ শাহ আবুল খয়ের, থানা বি.এন.পি’র সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান শেফু এবং উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোঃ দুলাল চৌধুরীও আছেন সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায়। প্রসঙ্গত, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে (পুুরুষ) ৯ জন এবং মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে ১৯ দলীয় জোটের একক প্রার্থী থানা বি.এন.পি’র সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান শেফুকে প্রায় ৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে নির্বাচিত হন ক্ষমতাসীন জোট আওয়ামীলীগ মনোনীত এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী। আলমগীর চৌধুরী পেয়েছিলেন ৪২ হাজার ৪৩ ভোট। আর মুজিবুর রহমান সেফু পেয়েছিলেন ৩৩ হাজার ২৩১ ভোট। ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নবীগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮শত ৩৮।





প্রথম পাতা