১৫ দিনের মধ্যে দাবী পূরণ না হলে বিবিয়ানা বিদ্যুৎ প্লান্ট-২ এর কার্যক্রম বন্ধের হুমকি
তারিখ: ১৩-এপ্রিল-২০১৩
আকিকুর রহমান সেলিম, নবীগঞ্জ ॥ নবীগঞ্জের সীমান্তবর্তী ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত বিবিয়ানা বিদ্যু প্লান্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সামিট বিবিয়ানা-২ পাওয়ার কোম্পানীর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসী। রাস্তা সংস্কার ও কুশিয়ারা ডাইক নির্মাণের জন্য একাধিকবার আলোচনা সভা, মানববন্ধন করেও কোন সুরাহা না হওয়ায় বড় ধরণের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিলে সামিট গ্রপের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শেরপুর থেকে ইসলামপুর পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু না হলে এলাকাবাসীর সমন্বয়ে সর্বাত্বকভাবে আন্দোলন কর্মসূচি দিয়ে বিবিয়ানা-২ এর সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকী দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে ও বিবিয়ানায় নিয়োজিত কোম্পানীর মালামাল বহনে ভারি গাড়ি যাতায়াত করায় বর্ষা আসার আগেই দিনে দিনে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এ নিয়ে রাস্তা সংস্কারের জন্য বিবিয়ানা-২ নিয়োজিত কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার আলোচনা করেন এলাকাবাসী। কিন্তু কর্তৃপক্ষ দিলাম, দিচ্ছি করে কাজ হাসিল করেই যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সামিট বিবিয়ানা-০২ পাওয়ার কোম্পানী এলাকাবাসীর সাথে শুরু থেকেই প্রতারণা করে তাদের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে এলাকাবাসী কি পেল, না পেল, তার প্রতি কর্তৃপক্ষের নজর নেই। তাই আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে রক্ত দিতে প্রস্তুত। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯ ঘটিকায় ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দিলাওর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন- সামিট গ্রপের জিএম জহরুল হক, এক্সিকিউটিভ অফিসার মোঃ নূর উদ্দিন, উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সৈয়দুর রহমান, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান পেয়ারা মিয়া, প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সুজন মিয়া, বিশিষ্ট মুরব্বী কনা মিয়া, আনহার মিয়া, কাওছার আহমদ, তেরা মিয়া, সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ, মসুদ মিয়া, ইউপি সদস্য সুমন মিয়া, লাবলু মিয়া, বকুল মিয়া, জলিল মিয়া, আছাব মিয়া, আলতাব মিয়া, সজলু মিয়া, সিতু মিয়া ছাদ্দক মিয়া, দুলাল মিয়া, ছালিক মিয়া, আমির মিয়া, মন্টু মিয়া, বকুল মিয়া প্রমুখ। এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মোঃ সৈয়দুর রহমান জানান- এলাকাবাসীর দাবী অনুযায়ী কাগজপত্র উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। আশা করি, ২/৩ মাসের মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।
প্রথম পাতা
শেষ পাতা