ভালবেসে ধর্মান্তরিত হয়েও সুখ জুটেনি কপালে ॥ জীবনের বিনিময়ে নরক যন্ত্রনা থেকে রেহাই পেল কুলসুমা
তারিখ: ৬-ডিসেম্বর-২০১৮
স্টাফ রিপোর্টার ॥

ভালবেসে ধর্মান্তরিত হয়েও সুখ জুটেনি কুলসুমার কপালে। অবশেষে জীবনের বিনিময়ে নরক যন্ত্রনা থেকে রেহাই পেল সে। এমনই হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর এলাকায়। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে তোলপাড়। জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার হিয়ালা গ্রামের মাধবচন্দ্র রায়ের কন্যা প্রিতার সাথে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর এলাকার আব্দুর রশিদের পুত্র তাহির মিয়ার। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে প্রিতাকে তড়িঘরি করে অন্যত্র বিয়ে দেন তার পিতা। সেখানে ১ পুত্র সন্তানের মা হয় সে। কিন্তু তার পরও ভূলতে পারেনি প্রেমিক তাহির কে। এক পর্যায়ে স্বামীকে তালাক দিয়ে পালিয়ে আসে প্রেমিক তাহিরের কাছে। তাহিরও বিবাহিত হওয়ায় তাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিজ বাড়িতে উঠাতে পারেনি। প্রিতা ধর্মান্তরিত হয়ে কুলসুমা নাম ধারণ করে এবং কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ে করে তাহিরকে। পরে তারা দুজনেই শহরের একটি ভাড়া বাসায় নতুন সংসার পাতে। পাশাপাশি সিলেট এমসি কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকে কুলসুমা। কিছুদিন ভালই চলছিল তাদের জীবন-সংসার। পরে ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে তাহির মিয়া। সংসারে দেখা দেয় অবিশ্বাস-সন্দেহ। সম্প্রতি বিষিয়ে উঠে তাদের দাম্পত্য জীবন। জীবন নামক নরক ষন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় কুলসুমা। এক পর্যায়ে গতকাল বুধবার দুপুরে বিষপান করে সে। পরে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বিকেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে, এ ঘটনার পর তার স্বামী তাহির মিয়া পলাতক রয়েছে বলে জানাগেছে। পুলিশ কুলসুমার লাশের ছুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।





প্রথম পাতা