প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥ হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেমিনার বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) উদ্বোধন হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মত এই সেমিনারের আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। দুই দিনব্যাপী সেমিনারে ২০ টি গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করবেন আমন্ত্রিত ও অংশগ্রহণকারী গবেষকবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এঅজঊ, ইঅঘইঊওঝ-এর নির্বাচন ও মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সায়েম উদ্দিন আহম্মদ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজির অধ্যাপক ড. খন্দকার শরীফুল ইসলাম, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের সহযোগী পরিচালক ড. এমেলী আক্তার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবেদ চৌধুরী বলেন, হবিগঞ্জ ধান, চা ও আগরের জন্য খ্যাত। হবিগঞ্জের চা ও অত্যন্ত দামী আগর নিয়ে আরও গবেষণা হওয়া উচিত। হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চা ও আগর নিয়ে গবেষণায় বিশেষ উদ্যোগ নিতে পারেন। এছাড়াও দ্বিতীয় বারের মত হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্টিফিক সেমিনার আয়োজন করায় সাধুবাদ জানান ড. চৌধুরী। সেমিনারে অংশ নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, কৃষি, মৎস্য-প্রাণিসম্পদ সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রথম দিনের প্রথম অধিবেশনে সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান ও মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ প্রোডাকশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জান্নাত সোপান। এছাড়া দ্বিতীয় অধিবেশনটিতে সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মৌলভিবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের চীফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল ও এতে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লান্ট সায়েন্সেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আবুবকর সিদ্দীক। প্রথম দিনের অধিবেশনে কৃষি, পরিবেশ, প্রাণিস্বাস্থ্য ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা উপস্থাপিত হয়। এসব গবেষণায় ফসলের রোগ ও পোকামাকড়ের জৈবিক প্রক্রিয়া, টেকসই কৃষি ব্যবস্থায় উৎপাদন ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের ফলন ও গুণগত মান, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কৃষি রোগ শনাক্তকরণ, প্রাণিসম্পদের পুষ্টি ও প্রজননস্বাস্থ্য, সংক্রামক রোগ ও পরজীবীজনিত সমস্যার বিস্তার এবং নগর সমাজের কিশোর অপরাধের মতো সামাজিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়। দুই দিনব্যাপী সায়েন্টিফিক সেমিনার আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি।