স্টাফ রিপোর্টার ॥
চুনারুঘাট পৌরসভায় মাস্টাররোলে কর্মরত সজল মিয়াকে নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলার আসামি এবং ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে পরিচিত সজল মিয়া এখনও পৌরসভায় দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে তৎকালীন পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলমের সময় সজল মিয়াকে মাস্টাররোলভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি পৌর প্রকৌশল শাখায় সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সজল মিয়ার ক্ষেত্রে কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সচেতন মহলের দাবি, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলার একজন আসামি কীভাবে এখনও পৌরসভার চাকরিতে বহাল রয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে একটি সূত্র দাবি করেছে, সজল মিয়া বর্তমানে পৌর প্রকৌশলী বিভাগের বিভিন্ন কাজে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং প্রকৌশল শাখার কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করছেন। একটি সূত্রে জানাযায়, বর্তমানে পৌরসভার প্রকৌশলী টিটন দাসের সব অপকর্মে সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু গনঅভ্যুত্থানে পর কিভাবে একজন ছাত্রলীগ নেতা ও বৈষম্য বিরোধী মামলার আসামী পৌরসভায় চাকুরী করছেন। সচেতন মহলের দাবি অচিরেই মাষ্টাররোলে চাকুরী থেকে অব্যবহিত দিয়ে শহীদের রক্তের মর্যাদা দেয়া হোক। স্থানীয় নাগরিকদের প্রত্যাশা, অভিযোগের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।