স্টাফ রিপোর্টার ॥
হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এস.এম.ফয়সল বলেছেন- বাংলাদেশের ১ম নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন মহিয়সী নেত্রীকে হারিয়েছে। আমি উনার রুহের মাগফেরাত কামনা করি। ১৯৯১ সালে তিনিই আমাকে বিএনপির পতাকা হাতে তুলে দিয়ে একজন কর্মী হিসাবে গ্রহন করেছিলেন। বার বারই তিনি স্নেহ করে আমাকে হবিগঞ্জ-৪ আসনে মনোনয়ন পত্র দিয়েছেন। এবারও তিনি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদের মহান নেত্রী গণতন্ত্রের মাতা ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশের মযার্দা বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন এবং তা পুনরুদ্ধার করে দিয়ে গেছেন। আর আমাদের প্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র রক্ষা এবং ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ সারাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। এই ৩১ দফার মধ্যেই রয়েছে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সুস্পষ্ট রূপরেখা।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও দলমত নিবির্শেষে সবাইকে ধানের শীষ ভোট দেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন- আপনাদের সহযোগিতায় যদি নিবার্চিত হই তাহলে ৩১ দফার আলোকে মাধবপুর ও চুনারুঘাটকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়সল’র মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত ভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে এ কথা বলেন। হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, সায়হাম কটন মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ, সায়হাম নীট কম্পোজীট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালনক সৈয়দ সাফকাত আহমদ, চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড.মনিরুল ইসলাম, সাবেক মেয়র নাজিমউদ্দিন সামসু, মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খান, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সোহাগ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন চৌধুরী, লুৎফুর রহমান খানসহ বিপুল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।