ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার আমলে মরা মানুষও ভোট দিয়ে গেছে
তারিখ: ৮-জানুয়ারী-২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার ॥

 হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- গত ১৭ বছর আমরা ভোট দিতে পারি নাই। দিনের ভোট রাতেই শেষ। ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার আমলে মরা মানুষও ভোট দিয়ে গেছে। যারা বিদেশে ছিল তারাও এসে ভোট দিয়ে গেছে। এই অবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্য, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিরলস পরিশ্রম করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিত হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী আমার ভোট আমি দিব, যাকে খুশি তাকে দিব, নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করব। বিএনপি চায় বাংলাদেশের মানুষ ভোট সেন্টারে আসুক। কোন দল দেশের জন্য, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, দেশের মানুষের জন্য বেশি কাজ করেছে, সেই বিবেচনায় যদি মানুষ চিন্তা করে তাহলে বিএনপির বিকল্প নেই।  
তিনি গতকাল বুধবার বিকালে লাখাই উপজেলার ১নং লাখাই ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন। মাহফিলে জি কে গউছ আরও বলেন- শেখ হাসিনা ভেবেছিল চোখের আড়াল করলেই বাংলাদেশের মানুষ খালেদা জিয়াকে ভুলে যাবে। এ জন্যই খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে শেখ হাসিনা প্রায় ৬ বছর খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে রেখেছিল। কারাগারে বিনা চিকিৎসায় তীলে তীলে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনার সীমাহীন জুলুমের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন- সাবেক ৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে কোনো নির্বাচনে পরাজয় বরণ করতে হয়নি। তিনি পৃথক পৃথকভাবে ২৬টি আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন। অথচ ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা’র নিকট বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের মনিকোটায় স্থান করে নিয়েছিলেন।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল খসরু’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাজী এনামুল হক, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান কাজল, হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার আব্দাল, লাখাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ড. আক্তার আহাদ চৌধুরী স্বপন, সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সামছুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম মোল্লা, আরিফ আহমেদ রুপন, শাহজাহান মিয়া, শাহ আলম গোলাম, শামছুদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের আহবায়ক জালাল আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক ইমরান প্রমুখ।