ঝগড়া ফ্যাসাদ থেকে দূরে থাকতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি ও শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাহুবল উপজেলার ঐতিহাসিক ছন্দ্রছড়ি দরবার শরীফে শোহাদায়ে কারবালা স্মরণে আলোচনা সভা ও শোক পালন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘কবরে আজাব হয়, এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। শিয়া-সুুন্নী যাই বলেন না কেন ? সকলেইতো মুসলমান। যেহেতু সকলেই মুসলমান তাহলে শিয়া-সুুন্নী নিয়ে ঝগড়া করার কথা না। আমাদের সকলকে ঝগড়া-ফ্যাসাদ থেকে দূরে থাকতে হবে’। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি না বুঝে এ নিয়ে ঝগড়া করতে চায়, তাহলে নিজ থেকেই দূরে সরে যেতে হবে। ঝগড়ায় তুমি যদি হেরে যাও, সে যদি তোমাকে মানতে না চায়, এতেও রাগ করা যাবে না। কারণ দু’ পক্ষে ঝগড়া হলে শয়তান খুশি হয়ে যায়। আমরা মুসলমান হিসেবে সকলের সাথে মিলেমিশে থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণভাবে কারবালার ইতিহাস সকলের মাঝে তুলে ধরতে হবে’। ঐতিহাসিক ছন্দ্রছড়ি দরবার শরীফের পীরজাদা সৈয়দ আব্দুর রব সুমনের সভাপতিত্বে ও দরবার শরীফের পীরজাদা সৈয়দ আল আমিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইতিহাসবিদ, গবেষক ও বহু গ্রন্থ প্রণেতা ড. এস.এম ইলিয়াছ, বি-বাড়িয়া ঐতিহাসিক চাপুইর দরবার শরীফের পীরজাদা আল্লামা মুফতি সৈয়দ আব্দুল মবিন চাপুইরী ও ঐতিহাসিক সুলতানশী দরবার শরীফের দরবার-এ রহিম হাবিলীর পীরজাদা সৈয়দ রফিকুল হুসাইনী চিশতী। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, সৈয়দ শাহ দরাজ, সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, সৈয়দ মঈনুদ্দিন চিশতী অলি, সৈয়দ মওদুদ আহমেদ, সৈয়দ মাকুল আহমেদ, সৈয়দ আজিজুল হুসাইন, সৈয়দ আবু রায়হান হাবিব, সৈয়দ মনজু মিয়া, সৈয়দ সালেহ্ , সৈয়দ অলি মিয়া, সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান, সৈয়দ আব্দুল বাকের, সৈয়দ তাজিন, শাহ দেলোয়ার হুসেন, মোঃ নূর আলম, মোঃ লিটন মিয়া, সিতার মিয়া, মধু মিয়া ও আঃ আলিম প্রমূখ।