স্টাফ রিপোর্টার ॥
বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের ধরোয়া গ্রামের সুবোধ দাশের পুত্র সুরঞ্জিত দাশের বিরুদ্ধে অবৈধ বিএড সনদের মাধ্যমে উচ্চতর বেতন গ্রেড ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, সুরঞ্জিত দাশ হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে এসএসসি পাস করেন। পরে সরকারি বৃন্দাবন কলেজ থেকে ১৯৯৯ সালে মানবিক বিভাগে এইচএসসি এবং ২০০১ সালে ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সংস্কৃতি ও পালি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে কলাপ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালে বানিয়াচংয়ের সাতগ্রাম একতা হাই স্কুলে সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) হিসেবে যোগদান করেন।
অভিযোগ রয়েছে, সুরঞ্জিত দাশ ২০০৮ সালে দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড সনদ অর্জনের কথা দেখিয়ে উচ্চতর গ্রেডে বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন। তবে ওই সনদটি ২০০৮ সালের ৮ মার্চ ধানমন্ডি থেকে সংগ্রহ করা হলেও ধানমন্ডি রেজিস্ট্রার অফিসে তার কোনো নথি পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি সনদে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের মিল নেই বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, ২০০৬ সাল পর্যন্ত দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ বৈধ থাকলেও পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়টির সকল শাখা বন্ধ ও অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
এ বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল হুদা বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” অভিযোগের বিষয়ে সুরঞ্জিত দাশ বলেন, “আমি শুনেছি কিছু সনদ অবৈধ বলা হচ্ছে। তবে আমি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে পুনরায় সঠিক কাগজপত্র জমা দেব।” এ ঘটনায় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছেন এলাকাবাসী।