মাধবপুরে লুটপাটের সত্য ঘটনা আড়াল করতে মিথ্যা সংবাদ প্রচার
তারিখ: ৬-ফেব্রুয়ারী-২০২৬

গত মঙ্গলবার অনলাইন ফেসবুক পেইজ দিনরাত নিউজে মাধবপুর উপজেলার আদাঐর গ্রামে শিশু আফরোজ হোসেন হত্যা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রতিবেদনটি আমার মামলার আসামীদের বক্তব্য অনুযায়ী তৈরী করা হয়েছে। এতে মিথ্যা ও বানোয়াট কিছ মনগড়া তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রকৃতপক্ষে শিশু আফরোজ হোসেন মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের পক্ষের লোকজনকে আসামী করায় সকলেই গ্রেফতারের ভয়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ সুযোগে দুলাল মিয়ার ছেলে মুক্তার মিয়া, মোশারফ মিয়া, ফজলুর রহমানের ছেলে উসমান গণি, আহমেদ আলীর ছেলে সায়েদ মিয়া, রমুজ মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া ও দক্ষিন বেজুড়া গ্রামের রইছ আলীর ছেলে শাহ আলম মিয়াসহ ১৫/২০ জন লোক আমাদের ৫টি বাড়ি-ঘর ও দোকানের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে এবং ভাংচুর করে। জনশূন্য বাড়িতে প্রবেশ করে স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা, মূল্যবান আসবাবপত্র ও দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করে তারা। পরে তারা নিজেরাই লুটপাটকৃত বাড়ি ও দোকানে নতুন করে তালা দিয়ে রাখে। এর মূল প্রমান তারা কাউকে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে দেয় না এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। কয়েকদিন আগে বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে তারা বাড়ি-ঘর ভাংচুরকৃত ও লুুটপাটের বিষয়টি পত্রিকায় তুলে ধরেন। এর পর থেকে তারা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকরা চলে আসার পর তারা তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। বর্তমানে তারা নতুন করে বাড়ি-ঘর ও দোকানাট তালাবদ্ধ করে রেখেছে। প্রকৃত সত্য ঘটনাটি আড়াল করতে সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের কাছে সাধু সাজতে তারা মিডিয়া সংবাদ প্রচার করেছে। মিডিয়ায় প্রচারিত তাদের বক্তব্যে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি। একই সাথে ঘর-বাড়ি ও দোকানের তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করলেই লুুটপাটের দৃৃশ্য ভেসে উঠবে বলে মনে করি। আমি বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের মামলা করেছি। আশা করি প্রশাসনের তদন্তে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে। 
প্রতিবাদকারী-
সাহেদ মিয়া
পিতা-ধনু মিয়া, গ্রাম-আদাঐর, মাধবপুর।