জেলাজুড়ে একদিকে তেলের সংকট, অন্যদিকে দাম বৃদ্ধি ॥ মরার উপর খাড়ার ঘা
তারিখ: ১৯-এপ্রিল-২০২৬
আখলাছ আহমেদ প্রিয় ॥

 জেলাজুড়ে জ¦ালানী তেলের তীব্র সংকট দীর্ঘদিন ধরে। সম্প্রতি তেল না থাকায় বন্ধ হয়ে পড়েছে জেলার অর্ধেক পাম্প। যে গুলো চালু রয়েছে সেগুলোতে সব সময় মিলছে না তেল। ফলে ভোক্তাদের সামলা দিতে হিমশিমে পড়ছেন পাম্প মালিকরা। অন্যদিকে, যানবাহনের চালকরা চাহিদানুযায়ী তেল না পেয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ পাম্পে তেল না থাকায় জেলাজুড়ে চলছে হাহাকার। এদিকে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধি করা  হয়েছে। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। 
গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই মূল্য সমন্বয়ের কথা জানানো হয়। পুনর্নির্ধারিত এই দাম আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে সারাদেশের ন্যায় হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে কার্যকর হবে। মন্ত্রণালয়ের বার্তায় জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে দেশের বাজারেও এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, জেলার ১৯টি ফিলিং স্টেশনে দৈনিক ২ লাখ ৭৫ হাজার লিটার তেলের চাহিদা রয়েছে। তবে সরবরাহে চাহিদার অর্ধৈকও মিলছে না। দৈনিক ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার তেলের ঘাটতি রয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীবাহী বাস-মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল সহ প্রাইভেট গাড়ীর চালক ও যাত্রীরা। এছাড়া জ¦ালানী তেলের সংকটের কারনে সম্প্রতি জেলার অর্ধেক পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। 

প্রথম পাতা