স্টাফ রিপোর্র্টার ॥
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন বাংলাদেশের নিত্যসঙ্গী। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করা কৃষকদের জন্য প্রাণঘাতী বজ্রপাত এক নীরব আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ প্রতিরোধে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে "স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশন"।
দেশব্যাপী বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় তালের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবার হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলায় ৫০০টি তালের চারা রোপণের মাধ্যমে সারা দেশব্যাপী এই কর্মসূচির শুভ সূচনা করেছিল "স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশন"। ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার তালগাছের চারা রোপণ করা হয়েছে "স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশন "এর পক্ষ থেকে । এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় নোয়াগড় সড়কের দুইপাশে আরও ২০০টি তালের চারা রোপণ করা হয়েছে। কেবল চারা রোপণেই সীমাবদ্ধ না থেকে বজ্রপাতের ঝুঁকি এড়াতে স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই বজ্রপাতের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। বিগত ৪০ বছরে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ভয়াবহতার কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে। বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকদের। তালগাছ প্রাকৃতিক বজ্রপাত নিরোধক হিসেবে কাজ করে বিধায় এই উদ্যোগ কৃষকদের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজমিরীগঞ্জ অনুষ্ঠিত তালের চারা রোপণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব কৃষিবিদ মো: আকতারুজ্জামান, উপপরিচালক, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, হবিগঞ্জ এবং জনাব কৃষিবিদ মোঃ রুহুল আমিন,উপজেলা কৃষি অফিসার,আজমিরীগঞ্জ।
স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস্ পিএলসি, ক্রপ কেয়ার ডিভিশন এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সেলস্ কো-অর্ডিনেটর জনাব মো: আনোয়ার হোসেন মোল্লা, জোনাল সেলস্ ম্যানেজার জনাব মো: মাসুূদুর রহমার, ডিপো ইন চার্জ জনাব মোঃ জামাল হোসেন, ফিল্ড ম্যানেজার জনাব মো: নাজমুল হক, সেলস ডেভেলপমেন্ট অফিসার জনাব মো: মিজানুর রহমান সহ এলাকার অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিরা।