নিখোঁজের তিন দিন পর উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসাছাত্র রাজি ইবনে মাহবুব (১০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হত্যার মোটিভ উদঘাটনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পুলিশ। গতকাল পর্যন্ত পুলিশ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আর এতেই হত্যাকান্ডের মোড় ঘুরে যাচ্ছে।
নিহত রাজি ইবনে মাহবুব সদর উপজেলার রিচি মোহাম্মদীয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মাহবুবুর রহমানের ছেলে। সে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত দারুন নাজাত হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার নিয়মিত ছাত্র ছিল। নিখোঁজের পর তার লাশ পাওয়া যায় পশ্চিম তেঘরিয়া খোয়াই নদীর চরে। যা তার বাসা থেকে স্বল্পদূরত্বের। তাদের আসল বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার শাকির মোহাম্মদ গ্রামে। চাকরিসহ বিভিন্ন কারণে মাওলানা মাহবুবুর রহমান ওই এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন।
এদিকে একদিন আগে পুলিশ জানিয়েছিলো নিহত মাদ্রাসা ছাত্র রাজিকে ঘাড় মচকে হত্যা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে উল্লেখিত এলাকার খোয়াই নদীর পাড়ে চর এলাকায় পড়ে থাকা লাশ স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে সদর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
গত ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার আসরের নামাজের পর মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয় রাজি। এরপর থেকেই পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বত্র খোঁজাখুঁজি চললেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। তার বাবা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে এই হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে কাজ করছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। হত্যার রহস্য উদঘাটনের কাছাকাছি তারা। সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন, রহস্য উদঘাটনের কাছাকাছি পুলিশ। তবে এ বিষয়ে মামলা হবে।