চুনারুঘাটে পাইকপাড়া ইউপি আ’লীগের দোসররা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে
তারিখ: ২০-জানুয়ারী-২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার ॥

চুনারুঘাট উপজেলার ৪নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামছুজ্জামান শামীম, তার চাচাত ভাই উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার-সম্পাদক হালিমুর রশীদ কাজল, পাইকপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মুমিন মিয়া ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবুল খায়ের এখানো ধরাছোয়ার বাইরে রযেছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এলাকায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখল, টেন্ডারবাজীসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সাবেক চেয়ারম্যান শামীম এলাকায় বিভিন্ন শালিস বৈঠকের জমাকৃত টাকা আত্মসাত করেছেন। মোঃ মুমিন মিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পল্লীবিদ্যুতের লাইন এনে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাত করেছেন। শুধু তাই নয়, সরকারি গভীর নলকুপ বরাদ্দ এনে দেওয়ার নামে মুমিন সাধারণ লোকজনদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ ভাবে স্থানীয় আজগর আহমদ দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ডুকেন মুমিন মিয়া। পরবর্তীতে তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে মাদ্রাসার গাছ কেটে বিক্রি করে টাকা আত্মসাত করেন। অভিযোগ রয়েছে উপজেলা বিআরডিবি অফিস থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সেই টাকাও পরিশোধ করেননি মুমিন। এছাড়া বড়ধুলিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তার মাটি জোর পূর্বক কেটে ফেলেছেন মুমিন। এতে গ্রামের মানুষ রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করতে পারছেন না। অভিযোগ রয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান শামীম, কাজল, মুমিন ও আবুল খায়ের ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনে আওয়ামীলীগের সকল কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ গ্রন করেছেন। তারা আন্দোলনরত ছাত্রদের ধমন করার জন্য তাদের সাথে সংঘর্ষেও জড়িত হয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের ১ বছর পার হয়ে গেলেও আওয়ামীলীগের ওই দোসরা এখানো ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য তারা চুনারুঘাটে আওয়ামীলীগকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থান তাদেরকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে।

প্রথম পাতা