আজমিরীগঞ্জের রাসেল হত্যা মামলার আসামী আল-কুরান ও ফয়জুর র‌্যাবের হাতে আটক
তারিখ: ২৭-জানুয়ারী-২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার ॥

 আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষে কাপড়ের ব্যবসায়ী নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার আসামী বিএনপির নেতা আল-মামুন সওদাগর ওরফে আল-কুরান সওদাগর ও তার ভাই ফয়জুর রহমান সওদাগরকে আটক করেছে র‌্যাব-৯। রবিবার ২টার তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে র‌্যাব-৯ এর একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার যাত্রবাড়ী থানার ধনিয়া পূর্ব রসুলপুর এলাকা থেকে আল-কুরান সওদাগরকে আটক করা হয়। অপর দিকে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেটের শাহপরান থানার বালুচর নতুন বাজার এলাকার নিজ বাসা থেকে ফযজুর রহমান সওদাগরকে আটক করা হয়। 
আটককৃত আল-মামুন সওদাগর ওরফে আল-কুরান সওদাগর ও ফয়জুর রহমান সওদাগর আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও এলাকার কুমেদপুরের বাসিন্দা মরহুম একরাম সওদাগরের ছেলে। 
র‌্যাব-৯ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। র‌্যাব জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা আল-মামুন সওদাগর ওরফে আল কুরান সওদাগর গংদের সাথে একই এলাকার বাসিন্দা বিএনপির অপর গ্রুপের কর্মী হান্নান মিয়া, হুমায়ূন গংদের মাঝে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ৭ ডিসেম্বর রাত ফেসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। ৮ ডিসেম্বর সন্ধায় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে ৯ ডিসেম্বর সকাল ৮টার দিকে এ নিয়ে আবারও উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনারস্থলে কাপড় ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া মারা যান। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক লোকজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার দিন বিকেলে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা দেখা দিলে প্রশাসন কাকাইলছেও বাজার ১৪৪ ধারা জারী করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

প্রথম পাতা