স্টাফ রিপোর্টার ॥ স্ত্রীর মর্যাদা পেতে প্রেমিকের বাড়িতে দিনভর অবস্থান করেও ঠাঁই না পেয়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বৃন্দাবন কলেজের এক ছাত্রী। গতকাল রবিবার হবিগঞ্জ শহরের রাজনগরে ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, লাখাই উপজেলার মানপুরা গ্রামের বাসিন্দা মোশাররফ হোসেনের কন্যা আখিঁ আক্তার (১৭) রাজনগরে একটি ম্যাচে অবস্থান করে পড়াশুনা করতো। এ সুবাদে ২০১১ সালে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে একই এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র গাজী মুছলে আলম শাহীর (২৫)। আখিঁকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিসার করে শাহী। এদিকে আখিঁ বিয়ের জন্য প্রেমিক শাহীকে চাপ দিতে থাকে। নানা অজুহাতে শাহী বিয়ের ব্যাপারটি উড়িয়ে দিতো। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আখিঁ গত শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জ সদর থানার সামনে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ সময় প্রেমিক শাহী তা কৌশলে ধামাচাপা দেয়। নাচোরবান্দা আখিঁ ওই দিন বাড়ি না গিয়ে অবস্থান নেয় শহরে শাহীর এক বন্ধুর বাসায়। গতকাল রবিবার সকালে আখিঁ স্ত্রীর অধিকার পেতে অবস্থান নেয় প্রেমিক শাহীর বাসায়। এতে বিপাকে পরে শাহী ও শাহীর পরিবার। পরে শাহীর পিতা জাহাঙ্গীর আলম কৌশলে তার পুত্রকে ত্যাজ্য ঘোষণা করে সন্ধ্যায় দুইজনকেই বাসা থেকে বের করে দেয়। এদিকে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনের পরও ঠাঁই না পেয়ে ক্ষোভে অপমানে হারপিক পান করে আত্মহত্যা চালায় আখিঁ। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আখিঁ জানায়, শাহী বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার সর্বনাশ করেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আলোচনার ঝড় বইছে।