মেয়র সেলিমের মধ্যস্থতায় সকল জটিলতার অবসান ॥ অবশেষে আলোর মুখ দেখছে ৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত ‘শহরের পানি সরবরাহ প্রকল্প’
তারিখ: ২১-মে-২০২১
জাকারিয়া চৌধুরী ॥

 অবশেষে সকল জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আলোর মুখ দেখছে ‘৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পটি’। হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের মধ্যস্থতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুছ ব্রাদার্স প্রাইভেট লিঃ-এর মধ্যে এক ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ পৌর ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল চৌধুরীসহ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ২০১৬ সালের প্রথম দিকে হবিগঞ্জ

শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় শুরু হয় ‘৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ নামে একটি প্রকল্প’। নিয়ম অনুযায়ী যথারীতি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বপায় মেসার্স ইউনুছ ব্রাদার্স প্রাইভেট লিঃ নামে বি-বাড়িয়ার একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। মাঝে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে থমকে যায় প্রকল্পটির কাজ। আর এতে করে ধীর গতিতে কাজ চলায় বছরের পর বছর গেলেও আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি। অবশেষে মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের মধ্যস্থতায় অবসান হয়েছে সকল জটিলতার। মেয়রের প্রত্যাশা দ্রুত প্রকল্পটির কাজ শেষে করে তা উদ্বোধন করা হবে। আর এতে করে সুফল ভোগ করবে শহরবাসি।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুছ ব্রাদার্স প্রাইভেট লিঃ-এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ সুজাত আলী জানান, জুন মাসের মধ্যেই ৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ নামে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। জিসিনপত্রের দাম বাড়াসহ বেশ কিছু জটিলতার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে সময় লেগেছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটির কাজ শেষ করে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়াও কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও সু-নজর কামনা করেন তিনি।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল কবির ভূইয়া জানান, ইতিমধ্যে প্রকল্পটির প্রায় ৯০ ভাগ কাজ শেষে হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী এক মাসের মধ্যেই সম্পুর্ণ কাজ শেষে হবে। তবে ধীর গতিতে কাজ চলায় সময় কিছুটা বেশি লেগেছে।

হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল তা সমাধান হয়েছে। খুব শীঘ্রই প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হবে। প্রকল্পটি চালু হলে পৌর নাগরিকরা এ সুফল পাবে। তিনি বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ড্রেন পরিস্কারসহ নাগরিকদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। সকলের সহযোগীতা নিয়ে আমি হবিগঞ্জ পৌরসভাকে আরো এগিয়ে নিতে চাই।

প্রথম পাতা